পাপিয়ার কানাডা পলায়ন

পাপিয়ার কানাডা পলায়ন

পাপিয়ার কানাডা পলায়নঃ

হোম ইকোনমিকসে মাস্টার্স পাশ করার পরেই আগারগাঁয়ের পাপিয়ার সাথে মিরপুরের ইঞ্জিনিয়ার রাব্বির বিয়ে হয়ে যায়। তিন ভাই এর পরে একমাত্র বোন পাপিয়া। দারোগা বাবা আর গৃহবধূ মার অতি আদরের মেয়ে। পাপিয়ার সাথে শ্বাশুরি আর ননদ থাকে, শ্বশুর ছেলের বিয়ের আগেই মারা গেছেন। বিয়ের পর বছর খানেক গেল। শ্বাশুরি আর ননদের সাথে খিটি মিটি বাড়তে লাগতে লাগল। পাপিয়ার পুলিশি মেজাজ, কোন কাজ করতে বা শিখতে চায় না শুধু সারাক্ষন অর্ডার করতে চায়। শ্বাশুরি আর ননদকে তার ক্রমে ক্রমে উটকো ঝামেলা মনে হতে লাগল কারন ওরাও মাঝে মধ্যে অর্ডার করে বসে। পাপিয়ার মা ভাইরা যেমন মাখো মাখো গলায় আদর বাজী করে কথা বলত, এরা তো তেমন নয়। একদিন শ্বাশুরি যখন পাপিয়াকে ধীরে ধীরে রান্না ঘরের দায়িত্ব বুঝে নিতে বলল তখন আর সে ধৈর্য রাখতে পারল না। ঝগড়া বাধিয়ে বাপের বাড়ি চলে গেল।

শ্বাশুরি এক বছরেই বুঝেছিলেন অতি আদরে মানুষ হওয়া এই মেয়ে কারো সাথে সহজে মানিয়ে পারবে না। তিনি পাপিয়াকে বুঝিয়ে শুনিয়ে বাপের বাড়ি থেকে এনে মিরপুরে রাব্বির কাছে রেখে মেয়েকে নিয়ে বগুড়া চলে গেলেন। বাবামা আর ভাইরা সারাক্ষন আগলে রেখে মানুষ করায় পাপিয়ার অন্যের সাথে মানিয়ে নেবার ক্ষমতা তৈরি হয়নি তাই সে স্বামী রাব্বির সাথেও মানিয়ে নিতে পারছিল না। পাপিয়ার মনে হত রাব্বি এই কথা এভাবে ঐ কথা ও ভাবে বলে কেন? কথা বলতে হবে এই ভাবে, এই ভাবে। রাব্বি পাপিয়াকে বোঝাল কোন কথার কিভাবে কি জবাব চাও তা তো আমার পক্ষে অগ্রিম বোঝা সম্ভব নয়, তা ছাড়া সংসারের দৈনন্দিন কথা তো সিনেমার ডায়লগ নয়। তুমি যে ভাবে তৈল যুক্ত, মন মত তোষন বাক্য শুনতে চাও তা বলতে হলে তো ডাইরেক্টর নিয়োগ দিয়ে বাক্য মালা তৈরি করে রিহার্সাল দিয়ে তা আওরাতে হবে, সংসারে এটা কি সম্ভব? পাপিয়া ভয়ানক রেগে স্ট্রেস আউট হয়ে আবার বাপের বাড়ি চলে যায়। রাব্বি পরদিন তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে তার মন মত চলবে বলে আবার নিয়ে আসে। কিন্তু এক জন মানুষ কখনই আরেক জনের মন মত চলা সম্ভব নয় তাই তাদের টানাপড়েন চলতেই থাকে। তাছাড়া রাব্বির গাড়ী নেই, কি ঘোড়ার ডিমের চাকরী করে- তাতে দারোগার মত গুরুত্ব নেই, এদিক ওদিক থেকে টাকা আসে না, ইয়া বড় বড় মাছ আসে না, ইঞ্জিনিয়ারের তো টাকা নেই দেখা যায় অথচ তার দারোগা বাবা যখন চাকরিতে ছিল রোজ মুঠো মুঠো টাকা আসত ঘরে। সে আর তার মা প্রান ভরে নানা গয়না আর অন্তহীন পোশাক কিনত। এখন কোথায় টাকা? তার মনে হত বুয়েট পাশ রাব্বি প্রতারনা করেছে। কেউ তো বলেনি যে এই লোকটার টাকা নেই, রাব্বিও তো বিয়ের সময় বলেনি।

এভাবে চলতে চলতেই পাপিয়ার দুই ছেলে হল। এর মধ্যে রাব্বি চাকরী ছেড়ে রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা ধরল। সে সময় ঢাকায় রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা সহসা জমজমাট হয়ে উঠল, রাব্বির ব্যবসাও ফুলে ফেপে উঠল। বিস্তর টাকা হল। গাড়ী হল দুটো। কিন্তু পাপিয়ার মানসিক গঠন বদলালো না। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে লেগে পরার নিত্য দিনের অভ্যাস আর কিছুতেই গেল না। রাব্বি আর রোজ রোজ অযথা ঝগড়া ঝাটি নিতে পারছিল না। রাতে এক সাথে থাকাও যন্ত্রণা দায়ক হয়ে উঠতে লাগল। রাব্বি কিছু একটা নিয়ে কথা বলতে গেলেই পাপিয়া রাব্বির সব চিন্তা ভুল এটা প্রমান করতে লেগে যেত। তবে ছেলেরা বড় হতে থাকায় পাপিয়া স্কুল আর কোচিং নিয়ে ব্যস্ত হল। রাব্বিও পাপিয়াকে এড়াতে শুরু করল। এক বাসায় থেকেও রাব্বি পাপিয়ার সাথে বাচ্চাদের পড়াশুনা বিষয়ক আলোচনা ছাড়া আর অন্য কোন বিষয়ে কথা বলা বন্ধ করে দিল। রাব্বি স্বস্তি পেতে পাপিয়া কে রাতের বেলা ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ুয়া ছেলেরা ঠিক মত পড়ছে কিনা, নাকি মোবাইলে গেম খেলছে তা দেখতে লাগিয়ে দিল। এতে অন্তত রাব্বি রাতে ঘুমুতে পারছিল। এভাবেই তারা ধীরে ধীরে স্বামী স্ত্রী নয়, যেন ভাই বোনের মত এক বাসায় বাস করতে লাগল। দু’ একজন শুভাকাঙ্ক্ষীর পরামর্শে রাব্বি পাপিয়াকে নিয়ে সাইক্রিয়াটিস্ত এর কাছে যেতে চাইল কিন্তু পাপিয়া এটা শুনেই বলতে লাগল আমি কি পাগল নাকি, তোমরা হলে পাগলের গুষ্টি, তুমি যাও। পাপিয়াকে রাজী করাতে না পেরে রাব্বি একদিন একাই মনোরোগবিদ প্রফেসর ডাঃ মোহিতের কাছে গেল। প্রফেসর বিস্তারিত শুনলেন, বললেন আপনার স্ত্রীকে নিয়ে আসতে হবে- তার সাথেও কথা বলতে হবে, তবে যা শুনলাম তাতে মনে হচ্ছে আপনার স্ত্রীর স্ট্রেস বহন করার ক্ষমতা খুব কম। সংসারে নানা কাজ থাকে, বাচ্চাদের দেখাশুনা করতে হয়, নানা রকম পারিবারিক রেলেসান থাকে- সেগুলো মেনটেইন করতে হয়, আপনার স্ত্রী সেগুলোর মুখোমুখি হতে পাড়ছেন না তাই তিনি ঘন ঘন স্ট্রেস আউট হয়ে যাচ্ছেন। সেখান থেকেই ঝগড়া ঝাটি তৈরি হচ্ছে। রাব্বি বললেন, কিন্তু আমার স্ত্রীকে তো কিছুতেই আপনার চেম্বারে আনা সম্ভব নয়। প্রফেসর বললেন, আমাদের ট্রেইনড মহিলা গ্রুপ আছে, আপনি মন স্থির করে এই নাম্বারে ফোন দেবেন, তারা অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে তাঁকে ধরে আমার গুলশানের হসপিটালে নিয়ে আসবে। সেখানে চার পাঁচদিন রেখে আমরা কাউন্সিলিং করব এবং ঔষধ খাওয়াব তার পর তাঁকে বাসায় নিতে পারবেন এবং মাস ছয়ে’ক ঔষধ খেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। রাব্বি বাসায় ফিরলেন কিন্তু পাপিয়াকে হসপিটালে পাঠানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারলেন না। ফ্ল্যাট বাসায় থাকেন, আশে পাশের লোকেরা কি ভাববে কে জানে?

how to approval google adsense you blog

এর মধ্যে বড় ছেলে ও লেভেল পাশ করল। তাকে রাব্বি নিজ খরচে মালয়েশিয়া পড়তে পাঠালো। তবে এই জীবন যেন আর চলতে চাইছিল না। রাব্বি ধীরে ধীরে গভীর নিঃসঙ্গতায় ডুবে যাচ্ছিল। তাছাড়া তার এমন কোন বয়স হয়নি, জৈবিক বিষয়টাও তো ফেলে দেয়া যায় না। নির্মাণ কাজে তার বেশ ক’জন সাব-কনট্রাক্টর ছিল। এদের কেউ একজন তাকে দু’টি তরুণীর সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। তরুণীদের সংগ তার নিঃসঙ্গতা দূর করল। ওদিকে ব্যবসা ভাগ্যের বৃহস্পতি তুঙ্গে উঠে গেছে তাই টাকার অভাবও ছিল না। তরুণী দু’টির মাধ্যমে তার আরও মেয়েদের পরিচয় হল। সাথে দুষ্ট ক’জন ক্লাসমেটও জুটে গেল। নানা রকম মদ যোগাড় হতে লাগল। দুই “ম” তাকে ডেস্পারেট করে তুলল, বিষয় গুলোর গোপনীয়তার মধ্যে ছেদ পড়ল। অফিসের ড্রাইভার এই সুযোগ কাজে লাগাল।

একদিন দুপুরে অফিসের ড্রাইভার বাসায় গিয়ে বলল, পাপিয়া ম্যাডাম আপনি তো স্কুল কোচিং নিয়ে ব্যস্ত ওদিকে অফিসে একজন ভাল ম্যানেজার রেখে তার হাতে সব দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে স্যার তো ছুকড়িদের নিয়ে ব্যস্ত। পাপিয়া বলল, চুপ বেয়াদপ কাকে কি বল তুমি? ড্রাইভার বলল, ম্যাডাম কি যে বলেন, প্রমান আছে আমার কাছে এই যে- এই মোবাইলে, তবে আমি সমস্যায় আছি আমার বিশ হাজার টাকা লাগবে। পাপিয়া দ্রুত আলমিরা খুলে বিশ হাজার টাকা দিলেন। বললেন, দাও এবার মোবাইলটা আমার কাছে, আমি ভেতরে গিয়ে দেখছি, তুমি নাস্তা কর।

পাপিয়া ভেতরে গিয়ে ছবি গুলো দেখলেন, শেয়ার ইট করে ছবি গুলো কপি করে নিলেন। অনেক গুলো মেয়ের ছবি। ক’টা তো যুবতীদের সাথে মদ্য পানরত রাব্বির অতি ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি। পাপিয়ার মাথায় রক্ত চড়ে গেল, পাপিয়া কাপতে লাগলেন, এখনই অফিসে গিয়ে একটা হেস্ত ন্যস্ত করতে হবে কিন্তু নিজেকে সামলালেন, ছেলেটাকে স্কুল থেকে আনতে হবে, তা ছাড়া এত বড় একটা বিষয়, কি ভয়ঙ্কর বিষয়- এখন মাথা ঠাণ্ডা রাখা দরকার। আরও বিস্তারিত ছবি আর তথ্য দিলে অনেক টাকা মিলবে এই লোভ দেখিয়ে ড্রাইভারকে বিদায় করলেন।

রাতে রাব্বি বাসায় আসতেই পাপিয়া ধরলেন তোমার অফিস থেকে ফিরতে এত রাত হয় কেন? রাব্বি বললেন, ব্যবসার কত ঝামেলা, সেগুলো তো সামলাতে হয়, নতুন প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি- সে গুলো দেখভাল করতে হয়। টাকাও তো দরকার ছেলেকে মালয়েশিয়াতে পড়াচ্ছ তার জন্যে তো কম টাকা লাগে না। পাপিয়া নিজেকে আর সামলাতে পারলেন না, নতুন প্রজেক্ট ধরেছ, না? মোবাইলে ছবি গুলো দেখিয়ে বললেন- এই হল গিয়ে নতুন সব প্রজেক্ট? রাব্বি থ’ মেরে গেলেন। রাত ভর পাপিয়া অকথ্য ভাষায় গালাগালি করলেন। শেষে সকাল হতে ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গেলেন। রাব্বি সবই বুঝলেন। তিনি অফিসে গিয়ে ড্রাইভারকে নিজের রুমে ডাকলেন। কাছাকাছি থাকা দুজন বন্ধুও এল। সবাই মিলে তাকে বেদম প্রহার করে দাঁত ভেংগে অফিস থেকে বের করে দিলেন। ক’দিন বাদে রাব্বি পাপিয়াদের বাসায় গেলেন। বছর দেড়েক আগে পাপিয়ার বাবা মারা গিয়েছিলেন। তাদের চারতলা ভবনে মা একটা ফ্ল্যাটে থাকে, তিন বিবাহিত ভাই বউ নিয়ে অন্য ফ্ল্যাট গুলোতে থাকে। বাবা মারা যাবার পরে মা আর পাপিয়ার গুরুত্ব কমে গেছে। তা ছাড়া বাবার রেখে যাওয়া জমি জমা ভাই বোনদের মাঝে ভাগ হচ্ছে। এই অবস্হায় স্বামীর সাথে গোলমাল চললে সে বঞ্চিত হবার সম্ভাবনা। ছোট ছেলেটাও নানুর বাড়িতে স্বচ্ছন্দ বোধ করছে না, তাছাড়া নিজের হাতে সাজানো এত দিনের সংসার। নানা বিবেচনা শেষে পাপিয়া, রাব্বি ৫ টার মধ্যে অফিসের কাজ গুটিয়ে বাসায় ফিরবে আর আফিস বাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে আসবে এই শর্তে আবার স্বামীর বাসায় চলে গেল। এর মধ্যে অতি মদ্যপান আর চূড়ান্ত অসংযমী জীবন যাপনের ফলে রাব্বির লিভারের গুরুতর অসুখ ধরা পড়ল। তবে পাপিয়াও দারোগার মেয়ে, সে হাল ছাড়ার পাত্রী নয়। অসুস্থ রাব্বিকে কানাডায় পড়ার গুরুত্ব বুঝিয়ে বড় ছেলের শিক্ষা ক্রেডিট মালয়েশিয়া থেকে কানাডাতে ট্রান্সফার করে তাকে কানাডা পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন। ছোট ছেলেটা ও লেভেল শেষ করতেই বিপুল টাকা খরচ করে কানাডায় ভর্তি করলেন। পাশাপাশি পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া জমিগুলো গোছাতে লাগলেন। তার দারোগা বাবা আগারগাঁ, কাজীপাড়াতে বিস্তর জমির মালিক ছিলেন। কিছু দখল করে ছিলেন আর কিছু কিনেছিলেন। সে গুলোর এখন অনেক দাম। এর মধ্যে মা মারা গেলেন। তিনি তার অংশের সব জমি পাপিয়াকে লিখে দিয়েছিলেন। পাপিয়া তার এক দূরসম্পর্কের জমির দালাল মামাকে দিয়ে জমিগুলো গোপনে বিক্রয় করতে লাগলেন। প্রায় সাড়ে নয় কোটি টাকার মত পাওয়া গেল। এই টাকার ব্যাংক সলভ্যান্সি দেখিয়ে আর কানাডা পড়ুয়া ছেলেদের দেখতে যাবার কথা বলে আবেদন করে পাপিয়া সহজেই কানাডার ভিসা পেয়ে গেলেন। গোপনে প্লেনের টিকিট কাঁটা হল, কিছু কাপড় চোপড় একটা ব্যাগে গুছিয়ে আগেই অন্যত্র রাখা ছিল। প্লেনের নিরধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা আগে পাপিয়া কেবল মাত্র ভ্যানিটি ব্যাগটা হাতে নিয়ে রাব্বির বাসা থেকে বের হলেন এবং বাংলাদেশ থেকে কানাডা পালিয়ে গেলেন।

কানাডায় ক’দিন পাপিয়া হোটেলে থাকলেন। বড় ছেলে টরেন্টো থেকে চার ঘণ্টার ফ্লাইটের দুরত্বে থাকে। সে টরেন্টোতে এসে একটা বাসা ভাড়া করে দিয়ে গেল। ছোট ছেলে টরেন্টোতেই পড়ত তাকে বাসায় নিয়ে এলেন। ছেলে সারা দিন ভার্সিটিতে থাকে। পাপিয়া ঘরময় পায়চারি করেন। এখানে চেনা জানা কেউ নেই, সবাই ব্যস্ত, বাংলাদেশের মত করে এখনে কেউ কারো সাথে মেশে না।বাংলাদেশ থেকে হুন্ডি হয়ে লাখ লাখ ইউএস আর কানাডিয়ান ডলার আসছে, সে গুলো বস্তায় ভরে বেড রুমে রাখা আছে। নতুন এসেছেন। এখনও ব্যাংক আকাউন্ত খুলে সেখানে ডলার গুলো জমা দেয়া হয়নি। পাপিয়ার রাতে ঘুম হয় না। বেড রুমে পায়চারী করছিলেন। সহসাই ডলারের বস্তায় পা লেগে মেঝেতে পরে গেলেন। হঠাৎ এই নির্জন তুষার ঝরা রাতে পাপিয়ার মনে হতে লাগল, তার বাবা নানা বেআইনি কাজ করে বিপুল সম্পদ করে গেয়েছিলেন ছেলে মেয়ের সুখের জন্য। কিন্তু কোথায় সুখ? পাপিয়া বুঝতে পারলেন- ডলারের বস্তায় নয় বরং সম্পর্ক গুলো ঠিকঠাক ম্যানেজ করতে পারার মধ্যেই সত্যিকারের সুখ লুকিয়ে থাকে।

– আশফাকুল জলিল।

Avatar
Follow me
Latest posts by Md Rakib Hasan (see all)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *